26.9 C
New York
Tuesday, August 3, 2021

আবাহনীর হ্যাটট্রিক

শেষ ওভারে জিততে প্রাইম ব্যাংকের প্রয়োজন ছিল ১৬ রান। আবাহনীর অধিনায়ক মোসাদ্দেক হোসেন বল তুলে দেন শহিদুল ইসলামের হাতে। এমন পরিস্থিতিতে শেষ ওভার বল করে সফল হওয়ার অভিজ্ঞতা আছে শহিদুলের। গত বছর বঙ্গবন্ধু টি–টোয়েন্টির ফাইনালেও শেষ ওভারে ১৬ রান দরকার ছিল গাজী গ্রুপ চট্টগ্রামের। কিন্তু জেমকন খুলনার বোলার শহিদুল সে রান করতে দেননি গাজী গ্রুপকে।

আজও শহিদুলের শেষ ওভার থেকে অলক মাত্র ৭ রানই নিতে পারলেন। ২০ ওভারে প্রাইম ব্যাংক করেছে ৯ উইকেটে ১৪২ রান। মাঠে তখন উৎসবে ভাসছেন আবাহনীর ক্রিকেটারেরা

তারুণ্যে ঠাসা আবাহনীর ক্রিকেটারদের মধ্যে শিরোপা জয়ের উন্মাদনাটা মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনেরই বেশি ছিল। ব্যাট–বল হাতে ম্যাচটা যে ঘুরিয়ে দিয়েছেন তিনিই! ম্যান অব দ্য ম্যাচও সাইফউদ্দিনই।

নাজমুল হোসেন ৪৫ রান করেছেন ৪০ বল খেলে, মুশফিকুর রহিমের জায়গায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মোসাদ্দেক ৪০ রান করেছেন ৩৯ বল। এরপর সাইফউদ্দিন লোয়ার অর্ডারে নেমে ১৩ বলে ২১ রান যোগ করলে আবাহনীর রান চলে যায় দেড়শতে।

এরপর বল হাতেও প্রাইম ব্যাংকের ব্যাটিংয়ে কাঁপুনি ধরিয়েছে এই পেস বোলিং অলরাউন্ডার। চার উইকেট নিয়ে প্রাইম ব্যাংকের সামনে বাধার দেওয়াল তুলে দেন তিনিই। যার একটি আবার ভালো ফর্মে থাকা রনি তালুকদারের উইকেট।

সাইফউদ্দিনের তোপের মুখেও প্রাইম ব্যাংকের এক প্রান্ত ধরে রাখেন ওপেনার রুবেল মিয়া। কিন্তু সেটা যে পরিস্থিতির দাবির সঙ্গে যাচ্ছিল না! ৪১ রান করতে তিনি খেলে ফেলেন ৪৩টি বল এবং তাতে দলের ওপর চাপটাই বেড়েছে।

কৌশলেও বড় ভুল করেছে প্রাইম ব্যাংক। ভালো খেলতে থাকা অভিজ্ঞ অলককে নামানো হয় আটে। অথচ ১৭ বলে ৩৪ রানের দুর্দান্ত ইনিংস খেলে জয়ের ক্ষীণ আশাটা সেই অলকই জাগিয়ে তুলেছিলেন। তাঁর সঙ্গে একজন থিতু ব্যাটসম্যান থাকলেও হয়তো ম্যাচের ফলাফল ভিন্নও হতেও পারত।

সেটি হয়নি। প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে টানা তৃতীয় শিরোপা জিতে মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে আবাহনী মেতেছে বুনো উল্লাসে।

Related Articles

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

Latest Articles

%d bloggers like this: